পোস্টে তিনি কার্নিকে প্রধানমন্ত্রী না বলে ‘গভর্নর’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প লেখেন, ‘কানাডা যদি চীনের সঙ্গে চুক্তি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব কানাডীয় পণ্যের ওপর সঙ্গে সঙ্গে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।’
এ বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের পর তাৎক্ষণিকভাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।
উল্লেখ্য, জানুয়ারি ২০২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণের আগেই ট্রাম্প কানাডার পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। একই সঙ্গে তিনি একাধিকবার কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর কথাও বলেন।
এই অবস্থায় দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কাতারের সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব খুঁজছেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি।
এদিকে গত সপ্তাহে চীনে সফর শেষে কানাডা সরকার বেইজিংয়ের সঙ্গে একটি ‘নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব’ ঘোষণা করে। চুক্তি অনুযায়ী, চীন কানাডার ক্যানোলা ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে। বিনিময়ে কানাডা চীনের প্রায় ৪৯ হাজার বৈদ্যুতিক যান (ইভি) নিজ দেশের বাজারে প্রবেশের অনুমতি দেবে।
চুক্তি ঘোষণার পর এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেন, ‘সর্বোত্তম সময়ে কানাডা-চীন সম্পর্ক আমাদের দুই দেশের জনগণের জন্য বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করেছে।’
সূত্র: আল-জাজিরা