সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা মেহর নিউজ এজেন্সির একটি ছবিতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের দেয়া আগুনে জ্বলছে একটি মসজিদ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে লাদান নামে ৬০ বছর বয়সী এক নারীও মসজিদে আগুন দেয়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি ফার্সির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন। তারা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু কামনা করে আর রাজতন্ত্রের পক্ষে স্লোগান দিয়েছেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভিতে বিক্ষোভে অংশ না নিতে সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হয়। বাবা-মায়ের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় বলা হয় আপনার সন্তানদের বিক্ষোভে যেতে দেবেন না। সতর্কতা দিয়ে বলা হয়, যদি সেখানে গোলাগুলি হয় এবং আপনার সন্তানের কিছু হয় তাহলে অভিযোগ করবেন না।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজধানী তেহরানের এক চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রের টাইম সাময়িকীকে জানান, তেহরানের ছয়টি হাসপাতালে অন্তত ২১৭ জনের লাশ এসেছে, যাদের ‘অধিকাংশই গুলিবিদ্ধ’ হয়ে প্রাণ হারান। হতাহতের এই সংখ্যার বিষয়ে অবশ্য ইরানের সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।